ডাক্তার দেখাতে এসে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার কিশোরী, গ্রেপ্তার ৫

পটুয়াখালীর গলাচিপায় ডাক্তার দেখাতে এসে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক কিশোরী। এ ঘটনায় ওই কিশোরী নিজে বাদী হয়ে বুধবার রাতে গলাচিপা থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন।

পুলিশ ওই রাতেই অভিযুক্ত শহিদুল সরদার (২৪), বশির গাজী (৩২), স্বপন সিকদার (৪০), জীতেন হাওলাদার (৩৫) ও খোকন ডাক্তারসহ (৪৫) ৫ জনকে আটক করেছে। আটক সবার বাড়ি গলাচিপা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়।

পুলিশ জানায়, দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী বুধবার সন্ধ্যায় গলাচিপার গজালিয়া এলাকা থেকে ডাক্তার দেখানোর উদ্দেশ্যে বোনের বাড়ি সোনাখালি যাওয়ার পথে পূর্ব পরিচিত শহিদুল ইসলামের সাথে দেখা হয়। এ সময় শহিদুল তাকে ভালো ডাক্তার দেখানোর কথা বলে পুরান লঞ্চঘাট এলাকার আবাসিক হোটেল সৈকতে নিয়ে যায়। পরে গভীর রাতে (রাত ৮টা থেকে ২টা) শহিদুল তার সঙ্গীদের নিয়ে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গলাচিপা থানা পুলিশ ওই দিন রাত ২টায় আবাসিক হোটেল সৈকত থেকে কিশোরীকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত ৫ জনকে গ্রেপ্তার করে।

গলাচিপা থানার ওসি (তদন্ত) হুমায়ুন কবির বলেন, কিশোরী নিজে বাদী হয়ে গলাচিপা থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ওই কিশোরীকে পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। আসামিদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।